শিলিগুড়ি, ১৪ ফেব্রুয়ারিঃ প্রধাননগর থানা অন্তর্গত মিলনমোড় এলাকায় প্যারামেডিক্যাল প্রশিক্ষণের নামে প্রতারণার ঘটনা।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের চাঞ্চল্য ছড়াল শিলিগুড়িতে।
এর আগে শালবাড়ি এলাকার একটি প্যারামেডিক্যাল সেন্টারকে রাতারাতি ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারে রূপান্তরিত করা হয়েছিল। এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।এরপর ফের শুক্রবার রাতে মিলনমোড় এলাকায় প্যারামেডিক্যাল প্রশিক্ষণের নামে পড়ুয়াদের সঙ্গে প্রতারণার আরেকটি ঘটনা ঘটে। এই নিয়ে প্রধাননগর থানায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করে পড়ুয়ারা।
পুলিশ বোঝানোর পর, পড়ুয়ারা লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। এরপর পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নেয় এবং সংস্থার সাতজনকে গ্রেফতার করে। তাদের মধ্যে দুই মহিলাও রয়েছে।ধৃতদের নাম সঞ্জয় শর্মা, কৌশিক গুহ, শুভ্রজিৎ শর্মা, নবীন বণিক, অভিজিৎ সূত্রধর এবং দুই মহিলা রাধা খাতি এবং রোশী ছেত্রী।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সঞ্জয় শর্মা, কৌশিক গুহ এবং শুভ্রজিৎ শর্মা ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর।পড়ুয়াদের অভিযোগ, প্রথমে তাদের বলা হয়েছিল সেখানে প্যারামেডিক্যাল কোর্স করানো হচ্ছে, যার জন্য তাদের কাছ থেকে দেড় লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। তবে, প্যারামেডিক্যাল কোর্সের পরিবর্তে তাদের ভোকেশনাল ট্রেনিং দেওয়া হয়।প্রশিক্ষণের পর তাদের প্লেসমেন্ট দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তা পায়নি।ইনস্টিটিউটের তরফে যে সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে, তা স্বীকৃত নয়।পড়ুয়াদের দাবি, শালবাড়ির প্যারামেডিক্যাল ইনস্টিটিউট এবং মিলনমোড় প্যারামেডিক্যাল ইনস্টিটিউট একই ছিল। পরে শালবাড়ি এবং মিলানমোড়ে দুটি ভিন্ন নামে চালু করা হয়।অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পড়ুয়ারা। ধৃতদের আজ আদালতে পেশ করা হয়েছে।
