শিলিগুড়ি, ১৭ জুলাইঃ গত ৭ জুলাই শিলিগুড়ি আদালতের এক মহিলা আইনজীবীর বাড়ি থেকে ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল।এই ঘটনায় তাঁর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মৃতার প্রেমিক আইনজীবী দেবাঞ্জন চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করল পুলিশ।
জানা গিয়েছে, ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিল দেবাঞ্জন চক্রবর্তী।ঘটনার ১০দিন পর আজ শিলিগুড়ি আদালতে গিয়ে আত্মসমর্পন করে সে।দেবাঞ্জন চক্রবর্তীর আত্মসমর্পণকে কেন্দ্র করে আদালতে বার অ্যাসোসিয়েশন এবং মৃতার পরিবারের সদস্যরা বিক্ষোভ দেখান।ধৃত দেবাঞ্জন চক্রবর্তীকে আজ আদালতে পেশ করা হলে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
মৃতার মায়ের অভিযোগ, কলেজে পড়ার সময় মেধা এবং দেবাঞ্জনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়।দুজনে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।বিয়ের তারিখও ঠিক হয়েছিল।বিয়ে ঠিক হওয়ার পর দেবাঞ্জন চক্রবর্তী ও তার মা পণ হিসেবে ২৫ লক্ষ টাকা এবং চেম্বারের জন্য একটি ঘর দাবি করে।মেয়ের খুশির জন্য দেবাঞ্জনকে ৫ লক্ষ টাকাও দেওয়া হয় এরপরও সে খুশি হয়নি।দেবাঞ্জন ও তার মা লাগাতার পণের দাবি করছিল।এর মাঝেই জানতে পারি দেবাঞ্জনের এর আগেও বিয়ে হয়েছিল।এইসব শুনে ভেঙে পড়েছিল মেয়ে।অভিযুক্তের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে এদিক আদালতে সাংবাদিকদের দেবাঞ্জন জানান, সম্পূর্ণ মিথ্যে অভিযোগ।মেধার বাবা মা চাইতেন না আমাদের বিয়ে হোক।
