রাজগঞ্জ, ২৯ অক্টোবরঃ কালীপুজোর আগে মোমবাতি তৈরিতে ব্যস্ততা, রংবেরঙের মোমের মাঝে চাহিদা বাড়ছে গেরুয়া মোমের।
কালীপুজো আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। উৎসবের মরশুমে বাজারে বাড়ছে মোমবাতির চাহিদা। তবে রংবেরঙের মোমবাতির ভিড়ে এবছর বিশেষভাবে নজর কাড়ছে গেরুয়া রঙের মোমবাতি। চাহিদার কথা মাথায় রেখে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার বেশি পরিমাণে গেরুয়া রঙের মোমবাতি তৈরি করছেন রাজগঞ্জের মোম কারিগর শীতল সরকার।
রাজগঞ্জ ব্লকের মাঝিয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েতের পাথরঘাটা গ্রামে নিজের বাড়িতেই ছোট্ট কারখানা গড়ে মোমবাতি তৈরি করছেন শীতল সরকার। গত ১০-১২ বছর ধরে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত তিনি। কালীপুজোর আগে তার কারখানায় এখন মোমবাতি তৈরির ব্যস্ততা তুঙ্গে। ছোট, বড়, মাঝারি ও স্ট্যান্ড মোমবাতির পাশাপাশি তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন রঙের মোমবাতি। তিন থেকে চারজন কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে চলছে উৎপাদনের কাজ।
শীতল সরকার জানান, অন্যান্য বছরের মতো এবছরও মোমবাতি তৈরি করছেন তিনি। তবে কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় সামগ্রিকভাবে চাহিদা ও বিক্রি কিছুটা কমেছে। তা সত্ত্বেও কালীপুজোর আগে মোমবাতির চাহিদা তুলনামূলকভাবে বেশি। তার মধ্যে গেরুয়া রঙের মোমের চাহিদা বেড়েছে। সেই কারণে এবার বেশি পরিমাণে গেরুয়া মোমবাতি তৈরি করছেন তারা।
এক টাকা থেকে শুরু করে ২৫ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন দামের মোমবাতি তৈরি হয় তার কারখানায়। এর মধ্যে দুটাকা ও পাঁচ টাকা দামের মোমবাতির চাহিদা সারা বছরই থাকে। কালীপুজোর সময় রঙিন মোমবাতির চাহিদা বাড়ে। শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি ও হলদিবাড়ি-সহ বিভিন্ন এলাকায় তার তৈরি মোমবাতি পাঠানো হয়।
কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি এবং বৈদ্যুতিক আলোকসজ্জার সঙ্গে প্রতিযোগিতার মধ্যে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের বলে জানিয়েছেন শীতলবাবু।
কালীপুজো ও দীপাবলির আগে গেরুয়া রঙের মোমবাতির বাড়তি চাহিদা ঘিরে এখন আশায় বুক বাঁধছেন পাথরঘাটার এই কারিগর।




