জলপাইগুড়ি, ২৮ সেপ্টেম্বরঃ জলপাইগুড়ির নয়াবস্তি পাড়ায় বেকারির ম্যানেজার হাফিজুর রহমান খুনের ঘটনায় তদন্তে আরও বড় সাফল্য পেল কোতোয়ালি থানার পুলিশ।খুনে ব্যবহৃত হাতুড়ি ও লোহার রড উদ্ধার করা হয়েছে।ধৃত বেকারি কর্মী নূর আলম শেখকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে এই অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।
গত বৃহস্পতিবার রাতে বেকারির ম্যানেজার হাফিজুর রহমানকে খুন করে টাকা-পয়সা লুটের পর পালিয়ে যায় বেকারির কর্মী নুর আলম শেখ।শুক্রবার বেকারির ম্যানেজারের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়।তদন্তে নেমে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে নূর আলমকে চিহ্নিত করে পুলিশ। পরে মুর্শিদাবাদ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার নূর আলমকে জলপাইগুড়িতে এনে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদে ম্যানেজারকে খুনের সময় হাতুড়ি ও লোহার রড ব্যবহার করার কথা জানিয়েছে ধৃত।ঘটনার পর বেকারির একটি অংশে অস্ত্রগুলি লুকিয়ে রেখে সে পালিয়ে যায় বলে তদন্তে উঠে আসে।
রবিবার রাতে ধৃত নূর আলমকে সঙ্গে নিয়ে ফের নয়াবস্তির ওই বেকারিতে পৌঁছয় পুলিশ। খুনের পর অস্ত্রগুলি যেখানে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল, সেই জায়গাটি নূর আলম নিজেই পুলিশকে দেখিয়ে দেয়। এরপর সেখান থেকে খুনে ব্যবহৃত হাতুড়ি ও লোহার রড উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার নেপথ্যে কি উদ্দেশ্য ছিল এবং এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।





