শিলিগুড়ি, ৬ অক্টোবরঃ ডাবগ্রাম-২ নম্বর অঞ্চলে ফের প্রকাশ্যে এল বিজেপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল। কিছুদিন আগেই দলের একাংশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন প্রাক্তন প্রধান মিতালী মালাকার। এবার ফের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এবং দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে সরব হলেন এলাকার কয়েকজন বিজেপি কর্মী ও বাসিন্দা।
প্রাক্তন প্রধান মিতালী মালাকারের অভিযোগ ছিল, বিজেপির কিছু পঞ্চায়েত সদস্য ও দলের কয়েকজন তৃণমূলের কয়েকজন পঞ্চায়েত সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে তাকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করেছিল। বিষয়টি তার কাছে লজ্জাজনক হওয়ায় তিনি নিজেই প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে দাবি।
এরপরই ফের ডাবগ্রাম-২ অঞ্চলের দলীয় পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপির একাংশ কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, এলাকার কয়েকজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ বিভিন্ন স্তরে জানানো হলেও এখনও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অথচ যাদের বিরুদ্ধে কোনও দুর্নীতির অভিযোগ নেই, তাদেরই চক্রান্ত করে দল থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।
এদিন একত্রিত হয়ে তারা দাবি করেন, ৫৫ নম্বর পার্ট এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য মীনা বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। সেই অভিযোগের প্রমাণ-সহ দলের বিভিন্ন স্তরে বিষয়টি জানানো হলেও এখনও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে দাবি তাদের। একইসঙ্গে, গোটা ঘটনায় মণ্ডল নেতৃত্বের একাংশের ভূমিকা রয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তারা।
তবে বিজেপির মণ্ডল নেতৃত্ব এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। নেতৃত্বের বক্তব্য, মীনা বিশ্বাসের বিরুদ্ধে এই ধরনের কোনও অভিযোগ এখনও তাদের কাছে জমা পড়েনি। দুর্নীতির কোনও প্রমাণও তাদের হাতে দেওয়া হয়নি। ফলে অভিযোগের ভিত্তি সম্পর্কে তারা অবগত নন বলেই দাবি।
অন্যদিকে, প্রাক্তন প্রধান মিতালী মালাকারকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে মণ্ডল নেতৃত্বের দাবি, পঞ্চায়েতের তরফে তার বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ ছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বিষয়টি নিয়ে দলের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ করা হয়েছিল।





