শিলিগুড়ি, ৩১ অক্টোবরঃ কয়েকদিন পরই আলোর উৎসবে মেতে উঠবে গোটা দেশ।তার প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। প্রদীপের আলোয় আলোকিত হয়ে উঠবে প্রতিটি ঘর। টুনি লাইট কিংবা এলইডির ঝলমলে আলো যতই বাজার দখল করুক না কেন, দীপাবলি ও কালীপুজোয় মাটির প্রদীপের কদর আজও অমলিন। আর সেই চাহিদাকে সামনে রেখেই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত শিলিগুড়ির মৃৎশিল্পীরা।
শিলিগুড়ির চয়ন পাড়া এলাকার পালবাড়িতে এখন ব্যস্ততার ছবি। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে মাটির প্রদীপ তৈরির কাজ। ছোট থেকে বড়, নানা আকৃতি ও মাপের প্রদীপ তৈরি করছেন শিল্পীরা। বংশপরম্পরায় এই পেশার সঙ্গে যুক্ত নবীন থেকে প্রবীণ—সকলেই এখন দিনরাত এক করে কাজ করছেন।তৈরি হচ্ছে হাজার হাজার মাটির প্রদীপ।
এই প্রদীপ ব্রিক্রি হয় বিভিন্ন দামে। বিশেষ করে দীপাবলিতে বাড়িতে ১৪টি প্রদীপ জ্বালানোর প্রচলন রয়েছে। সেই রীতি মেনেই মাটির প্রদীপ কেনেন অনেকে। ফলে আধুনিক আলোকসজ্জার দাপটের মধ্যেও মাটির প্রদীপের চাহিদা একেবারে কমে যায়নি।
তবে এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের চিন্তাও কম নয়। তারা জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় বেড়েছে মাটির দাম।ভিনরাজ্য থেকে মাটি আনতে হয়। পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামও বেড়েছে। উৎপাদন খরচ বাড়লেও সেই অনুপাতে লাভ কতটা হবে, তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন তারা।
দীপাবলির পরেই রয়েছে ছটপুজো। সেই উৎসবেও মাটির প্রদীপের চাহিদা থাকে। তাই এখন থেকেই জোরকদমে চলছে প্রস্তুতি।





