শিলিগুড়ি, ৫ অক্টোবরঃ হাতে গোনা আর কয়েকটা দিন বাকি দূর্গা পুজোর।বিভিন্ন জায়গায় চলছে চরম ব্যস্ততা।মায়ের সৌন্দর্যের অলঙ্কার তৈরিতে ব্যস্ত শিলিগুড়ির মধ্য চয়নপাড়ার শিল্পী দোয়েল দাস দে।
দুর্গাপুজোর মন্ডপে ঢুকলেই দেবীর অপরূপ সাজে মুগ্ধ হই আমরা।দেবীর সাজে-মুকুট, হার, কানের দুল থেকে হাতের অলংকার, সব মিলিয়ে যেন পূর্ণতা পায় মায়ের রূপ। সেই সৌন্দর্যের নেপথ্যে থাকে শিল্পীর নিপুন কাজ।তাদের গল্প বেশিরভাগ সময়ই থেকে যায় অজানায়। তেমনই এক শিল্পী হলেন শিলিগুড়ির মধ্য চয়নপাড়ার বাসিন্দা দোয়েল দাস দে।
তিনি বহু বছর ধরে প্রতিমার অলংকার তৈরির কাজ করে আসছেন। ২০০৩ সালে মৃৎশিল্পী সুশান্ত পালের হাত ধরেই শিল্পের জগতে প্রবেশ করেছিলেন দোয়েল। প্রথমদিকে ক্লে দিয়ে অলংকার তৈরির অভিজ্ঞতা থাকলেও, সময়ের সঙ্গে সেই কাজই হয়ে ওঠে তার নিজস্ব পরিচয়।
দুর্গা ছাড়াও কালী, মনসা, গণেশ, বিশ্বকর্মা এমনকি শনিদেবের প্রতিমার অলংকারও তৈরি করেছেন তিনি।শহরের একাধিক পুজোমণ্ডপে পৌঁছে গিয়েছে দোয়েলের তৈরি গয়না।চলতি বছর চম্পাসারি জাতীয় শক্তি সংঘ ও পাঠাগার ক্লাবের প্রতিমার অলংকার তৈরির দায়িত্বও রয়েছে তার।পুজোর কয়েক মাস আগে থেকেই কাজ শুরু করেন তিনি।
শিল্পী দোয়েল দাস জানান, ছোটবেলা থেকেই হাতের কাজ করতে ভালো লাগত।নিজের তৈরি অলংকার প্রতিমায় দেখলে, এক আলাদা তৃপ্তি পাই।তবে এই পথ মোটেও সহজ নয়। সময়ের সঙ্গে বদলেছে উপকরণ ও নকশার ধরণ। শোলার পরিবর্তে এখন জরি, পুঁতি, রাংতা, শক্ত বোর্ড সহ বিভিন্ন সামগ্রী ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছে অলংকার।
এই শিল্পের মাধ্যমে বহু মহিলা স্বনির্ভর হতে পারেন। তাই আগামীদিনে আরও মহিলাকে এই কাজ শেখানোর ইচ্ছা রয়েছে তার।





