বাগডোগরা, ১৬ জুলাইঃ বাগডোগরায় মুন্ডুহীন মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হাড়হিম করা তথ্য উঠে আসছে।ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছে ৫ জন।
জানা গিয়েছে, প্রেমের সম্পর্কের জেরে নিজের ১০ বছরের বিবাহিত স্বামীকে খুন করেছে স্ত্রী ও তার সহযোগীরা।প্রেমিকের সহযোগিতায় পরিচয় আড়াল করতেই দেহ থেকে আলাদা করা হয় মাথা।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার বাগডোগরার হাঁসখোয়া চা বাগানের ৯ নম্বর সেকশনে চা পাতা তোলার সময় একটি মুন্ডুহীন মৃতদেহ দেখতে পান চা শ্রমিকরা। পরবর্তীতে বাগডোগরা থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনার তদন্ত নেমে খুনের কিনারা করে পুলিশ।গ্ৰেফতার করা হয় মৃতের স্ত্রী সহ মোট ৫ জনকে।ধৃতরা হল মৃতের স্ত্রী মমিনা বেগম, প্রেমিক সুদীপ পাল।সে বাগডোগরা বাসিন্দা এবং সুদীপের ২ ভাগ্নে নিতাই পাল ও বাপি পাল এবং ভাগ্নের বন্ধু কৌশিক নাথ।তিনজনই জলপাইগুড়ির বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৭ বছর ধরে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছিল মৃতের স্ত্রী মমিনা বেগম।সেইমতো স্বামীকে সরাতে খুনের পরিকল্পনা করা হয়।প্রেমিকের সহযোগিতায় বিহার থেকে বাগডোগরায় এনে খুন করা হয় ইমামকে।
মৃত ইমাম পেশায় তান্ত্রিক ছিলেন।সেইসূত্রে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয় বাগডোগরা বাসিন্দা তথা তান্ত্রিক সুদীপ পালের।নিহত ইমামের শ্বশুরবাড়ি শিলিগুড়িতে।বিহারের কিষাণগঞ্জ থেকে সোমবার বিকেলে ফোন করে ইমামকে বাগডোগরায় ডাকে সুদীপ।এরপর তাকে কুপিয়ে খুন করা হয়।
আজ ধৃত ৫ জনকে শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে। অন্যদিকে ঘটনাস্থল থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে ফাঁসিদেওয়ার মুন্সিবাড়ি এলাকায় উদ্ধার মৃতের মাথা।তবে এই মাথা মৃতের কিনা তার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।
