শিলিগুড়ি, ২৪ জুলাইঃ নবম শ্রেণীর এক নাবালিকা ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ ও গর্ভবতী করার অভিযোগে ৬৫ বছর বয়সী এক নিরাপত্তারক্ষীকে গ্রেফতার করলো পুলিশ।ধৃতের নাম মুন্না পাসওয়ান।১০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
জানা গিয়েছে, নাবালিকা ছাত্রী অনাথ। সে তার দিদার সঙ্গে থাকে। অভিযুক্ত নিরাপত্তারক্ষী নাবালিকার দিদার বাড়ির কাছেই কাজ করতো।দিদার সঙ্গে পরিচিতি থাকায় প্রায়ই বাড়িতে যেত নিরাপত্তারক্ষী। অভিযোগ, বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে নাবালিকাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে অভিযুক্ত।
ভয়ে নাবালিকা কাউকে ঘটনাটি জানায়নি।স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা নাবালিকার অস্বাভাবিক শারীরিক পরিবর্তন দেখেন, এরপরই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে।সন্দেহ হওয়ায় তিনি মহিলা থানায় খবর দেন।এরপর পুলিশ ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা করায়।এতে জানা যায় নাবালিকা প্রায় ছয় মাসের গর্ভবতী।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নাবালিকা জানায় যে, বাড়িতে কেউ না থাকলে মুন্না পাসওয়ান এসে জোর করে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করতো।হুমকি ও ভয়ের কারণে এই বিষয়ে কাউকে কিছু বলতে পারেনি নাবালিকা।
এদিকে নাবালিকা দিদা জানায়, দুই বছর আগে শারীরিক সমস্যার কারণে নাবালিকার পেট ফুলে গিয়েছিল। পেট ফুলে যাওয়া অসুস্থতার কারণে হয়ে থাকতে পারে এবং নাবালিকা যে গর্ভবতী তা বুঝতে পারেননি বলে জানান তিনি।
ঘটনার পরই মহিলা থানার পুলিশ অভিযুক্ত মুন্না পাসওয়ানকে গ্রেফতার করে।ধৃতের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আজ তাকে শিলিগুড়ি আদালতে পেশ করা হয়।গোটা ঘটনার তদন্তে পুলিশ।
