শিলিগুড়ি, ১২ জুনঃ উত্তরবঙ্গের পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় একাধিক সমস্যার কথা তুলে ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। শুক্রবার শিলিগুড়িতে প্রশাসনিক বৈঠক করেন তিনি।
এদিন শিলিগুড়ির মৈনাক ট্যুরিস্ট লজে উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলা দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারের প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মন্ত্রী। উপস্থিত ছিলেন দার্জিলিংয়ের বিধায়ক নোমান রাই এবং কার্শিয়াংয়ের বিধায়ক সোনম লামা।
বৈঠকে পঞ্চায়েত দপ্তরে তীব্র কর্মী সংকটের বিষয়টি উঠে আসে। অনেক ব্লকে একজনও ইঞ্জিনিয়ার নেই বলে জানান মন্ত্রী। এই সমস্যা দূর করতে তিনস্তরের পঞ্চায়েতে ১১ হাজার কর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।একইসঙ্গে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়।
মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ জানান, ২০২৩ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত বকেয়া অর্থ কিস্তিতে আসছে এবং পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকাও পাওয়া যাচ্ছে। সম্প্রতি কেন্দ্র থেকে ১৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে, যার একটি অংশ একশো দিনের কাজ সহ বিভিন্ন প্রকল্পে ব্যবহার করা হবে।চা বাগান এলাকায় আবাস যোজনার ক্ষেত্রে জমির পাট্টা না থাকায় ঘর দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।এই সমস্যার সমাধান নিয়েও আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় পরিকাঠামোর অভাবের কারণে পরিষেবা পৌঁছাতে সমস্যা হচ্ছে বলেও স্বীকার করেন মন্ত্রী। গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কাজের গতি নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন দিলীপ ঘোষ।
